তিস্তা চুক্তি বানচাল ও ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক -বদরুদ্দীন উমর

ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের ফলাফল কী হয়েছে তা আলোচনার আগে এই সফরকে নিয়ে সরকার ও সংবাদপত্র মহলে যে ধুলো ওড়ানো হয়েছে সে বিষয়ে কিছু বলা দরকার। লক্ষ্য করার বিষয় যে, সারা দুনিয়ায় বিভিন্ন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের অন্য দেশ সফর লেগেই আছে। এসব সফরের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা ও সহযোগিতার আলোচনা এক সাধারণ ব্যাপার। এই সফরগুলোর মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়ে থাকে যা পারস্পরিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষে ঔপনিবেশিক দেশগুলো স্বাধীনতা পেতে থাকার পর এই ধরনের সফর হয়ে দাঁড়ায় এক নিয়মিত ব্যাপার। পারস্পরিক সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের এই প্রক্রিয়া বর্তমান বিশ্বে এক স্বাভাবিক ব্যাপার। নিয়মিত ও স্বাভাবিক ব্যাপার হওয়ার কারণে এক দেশের সরকার বা রাষ্ট্রপ্রধান অন্য দেশে সফরে যাওয়া উভয় দেশের জন্যই প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা নিয়ে হৈচৈ করার কিছু থাকে না। তবে এর গুরুত্বের প্রতিফলন প্রচার মাধ্যমে অল্প বিস্তর হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ঘটে তখনই যখন কোন শক্তিশালী দেশের রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকারপ্রধান অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী কিন্তু কোন না কোনভাবে নির্ভরশীল দেশে সফরে যান। তখন অনেক কিছু করা হয়ে থাকে, যা সাধারণভাবে দুই দেশের নেতাদের সফরের সময় দেখা যায় না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যখন ইউরোপের কোন দেশ, চীন-জাপানের মতো দেশে যান তখন তা নিয়ে হৈচৈ দেখা যায় না। কিন্তু তিনি যখন ভারতের মতো দেশে আসেন তখন অবস্থা অন্য রকম দাঁড়ায়। শুধু যে অনেক আগে থেকে এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনা ও হৈচৈ হয় তাই নয়, প্রেসিডেন্ট তার খাদ্যপানীয় ও বাবুর্চি পর্যন্ত নিজেদের দেশ থেকে সফরকারী দেশে নিয়ে আসেন! এটা যে সফরকারী দেশের জন্য কতখানি অপমানজনক এটা বোঝানোর প্রয়োজন নেই। জওহরলাল নেহেরু থেকে নিয়ে অন্য ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীরা যখন আমেরিকায় সফর করেছেন তখন এ ধরনের কিছু দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এটা দেখা যায় না। কিন্তু এর উল্টোটি এখনও ঘটে। কিছুদিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যখন ভারতে এসেছিলেন, তখন তিনি সঙ্গে করে তার নিজের খাদ্যপানীয় এবং বাবুর্চি পর্যন্ত নিয়ে এসেছিলেন! তার সফর নিয়ে ভারতে হৈ-হল্লারও শেষ ছিল না। মনমোহন সিংয়ের বাংলাদেশ সফরের সময় ঠিক সেটাই দেখা গেল, যা দেখা গিয়েছিল বারাক ওবামার ভারত সফরের সময়! তিনি ৬ সেপ্টেম্বর তার বাংলাদেশ সফরে আসার সময় নিজের খাদ্যপানীয় এবং বাবুর্চি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন!! কিন্তু তা সত্ত্বেও দেখা গেল, বাংলাদেশের সংবাদপত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যেসব চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার কথা, সে বিষয়ে আলোচনার সঙ্গে সঙ্গে মনমোহন সিং ও তার দলবলের জন্য কী কী খাবার ব্যবস্থা ও আয়োজন হচ্ছে তা নিয়ে সবিস্তার ও উৎসাহপূর্ণ আলোচনা!!! বাংলাদেশের কোন প্রধানমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সফরে ভারতে গেলে নিজের খাদ্যপানীয় বা বাবুর্চি নিয়ে যাওয়া তো দূরের কথা তার চিন্তাও হাস্যকর!! কোন দেশের রাষ্ট্র বা সরকারপ্রধানের অন্য দেশ সফর সম্পর্কে এখানে যা বলা হল তার প্রাসঙ্গিকতা অবশ্যই আছে। মনমোহন সিং-এর সফর নিয়ে যেভাবে বাংলাদেশে হৈচৈ হয়েছে তার থেকে বোঝা যায় এই সফরে দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় প্রধান পক্ষ কে। আলোচনার সিদ্ধান্ত ক্ষেত্রে কার গুরুত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বেশি। ভারত ১৯৪৭ সাল থেকে ** দেশ হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ও পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশকে কোন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যাই দেয়নি ও দিতে চায়নি। দিতে যে চায়নি, এটা তাদের সঙ্গে অসংখ্য দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই দেখা গেছে। বাংলাদেশ আমলে গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শেষ পর্যন্ত একটা চুক্তি হলেও বাংলাদেশ তার ন্যায্য হিস্যা বা অংশ থেকে বিশ্রীভাবে বঞ্চিত হয়েছে। তাছাড়া ভারত ১৯৭৬ সালে ফারাক্কা বাঁধ দিয়ে বাংলাদেশের এমন অবস্থা করেছে যাতে এখানে পদ্মা থেকে নিয়ে অনেক নদীতে পানি প্রবাহ ভয়ানক কমে আসায় নদীতে চর পড়তে পড়তে সংকটজনক অবস্থা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের সব নদীই ভারতের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এক দেশ থেকে অন্য দেশে নদী নেমে আসা এক সাধারণ ব্যাপার। এ কারণে পানি ভাগাভাগির জন্য সুনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক আইন-কানুন আছে। কাজেই মর্জিমাফিক কোন ** দেশ উঁচু ভূমির নদীর পানি ইচ্ছেমতো নিজেরা ব্যবহার করে ** দেশকে তার ন্যায্য অংশ থেকে আইনত বঞ্চিত করতে পারে না। কিন্তু এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট আইন থাকলেও আইন ভঙ্গের ব্যাপার প্রায়ই ঘটে থাকে। এবং এক্ষেত্রেও এটা ঘটে শক্তিশালী ও দুর্বল দেশের মধ্যে। ইউরোপে অনেক নদীই একাধিক দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। কিন্তু সেখানে পানির হিস্যা নিয়ে এ ধরনের দ্বন্দ্ব ও বঞ্চনার ব্যাপার ঘটে না, যা বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দেখা যাচ্ছে। সিন্ধু নদীর পানি নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দ্বন্দ্ব ছিল। সে দ্বন্দ্বের সমাধান তারা করেছে বিশ্বব্যাংকের মাধ্যমে। এটা সম্ভব হয়েছিল এ কারণে যে, পাকিস্তান ভারতের থেকে ছোট ও দুর্বল হলেও এমন দুর্বল নয় যাতে তারা ভারতের জোরজবরদস্তির কাছে নতি স্বীকার করবে। কাজেই সেই পানি চুক্তি এমনভাবে করা হয়েছিল যাতে উভয় দেশই তার ন্যায্য অংশ পেয়েছিল এবং কারও ক্ষতি হয়নি। ভারত সিন্ধু নদীর পানি বেশি টেনে নিয়ে পাকিস্তানকে ক্ষতিগ্রস্ত করার মতো অবস্থা সেখানে থাকেনি। পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার পশ্চিম পাকিস্তানে সিন্ধু নদীর পানি আদায়ের ক্ষেত্রে যেভাবে উৎসাহিত ও সক্রিয় ছিল তার বিন্দুমাত্র উৎসাহ বা সক্রিয়তা তাদের দেখা যায়নি পূর্ব পাকিস্তানে গঙ্গাসহ অন্য নদীর পানিবণ্টনের ক্ষেত্রে। এর জন্য ভারতের সঙ্গে দরকষাকষি এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের ধারেকাছেও তারা যায়নি। কাজেই উত্তরাধিকার হিসেবে বাংলাদেশে পানি সমস্যার মুখোমুখি হলেও এর কোন সমাধান আজ পর্যন্ত হয়নি। তিস্তার পানি থেকে বাংলাদেশ অন্য নদীগুলোর পানির মতোই বঞ্চিত হয়ে আসছে। তাছাড়া উপরের দিকে বাঁধ তৈরি করায় তিস্তার পানিপ্রবাহ ভারত তার নিজের দিকে অনেকখানি ঘুরিয়ে রেখেছে। বাংলাদেশ তিস্তার পানির অংশ নিয়ে প্রথম থেকেই অনেক আলাপ-আলোচনা, বৈঠক করে আসছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত এ সমস্যার কোন সমাধান হয়নি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী গত বছর জানুয়ারিতে দিল্লি সফরের সময় থেকে তিস্তার পানি নিয়ে নতুনভাবে আলাপ-আলোচনা চলে আসছে। এই আলোচনার পরিণতি হিসেবে দুই দেশই তিস্তার পানি নিয়ে একটি চুক্তিতে আসার মতো অবস্থায় এসেছিল। একথা রাষ্ট্র হয়েছিল যে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর বাংলাদেশ সফরের সময় এই চুক্তি চূড়ান্ত করা হবে। চুক্তিতে ঠিক কী ছিল, পানির কত অংশ ভারত ও কত অংশ বাংলাদেশ পাবে তার কোন নিশ্চিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি। কাজেই এ নিয়ে নানারকম জল্পনা-কল্পনার শেষ ছিল না। মনমোহন সিংয়ের সফরের ঠিক আগে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশংকর মেনন এক ঝটিকা সফরে বাংলাদেশে এসে চুক্তির যে খসড়া চূড়ান্ত করেন তাতে নাকি ভারত ও বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৫০:৫০ (Daily Star ৭.৯.২০১১)। ভারতের পক্ষ থেকে তিস্তার ৫০ শতাংশ পানি দিতে সম্মত হওয়া ছিল বিস্ময়কর ব্যাপার। কিন্তু তাই বলা হয়েছিল। পরে শোনা গিয়েছিল যে, ভারত বাংলাদেশকে ৩৩ শতাংশ পানি দেয়ার ব্যবস্থা চুক্তিপত্রে করেছে। ৩৩ শতাংশ বাংলাদেশের জন্য ন্যায্য ও যথেষ্ট নয়। আসলে চুক্তিতে কী আছে সেটা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ সরকার এমন গোপনীয়তা রক্ষা করেছে, যে কারণে কারও কিছু জানা ছিল না কার অংশে কত থাকবে। এ অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত আকস্মিকভাবে বাতিল করেন এবং তার কারণ হিসেবে বলা হয়, ২৫ শতাংশের বেশি পানি বাংলাদেশকে দেয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্ত তার পক্ষে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য হওয়ায় তিনি এই চুক্তির বিরোধী এবং সে কারণেই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে বাংলাদেশে আসবেন না! মমতা ব্যানার্জির এই ঘোষণার পর মনমোহন সিংয়ের সফরের সময় তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সম্পাদন ভারতের পক্ষে সম্ভব নয় এই মর্মে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়। তারা বলেন যে, পশ্চিমবঙ্গের সম্মতি ছাড়া কোন পানি চুক্তি ভারত সরকারের পক্ষে সম্ভব নয়। তাই যদি হয়, তাহলে ভারত সরকার পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে এ ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করে কেন তিস্তা চুক্তির কথা বলেছিল এটা দুর্বোধ্য। এ ব্যাপারে মনমোহন সিং ও ভারত সরকারের বক্তব্য হল, তারা এ নিয়ে মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। মনমোহন সিং নিজেও ব্যক্তিগতভাবে তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন!! অন্যদিকে মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, তাকে কিছু না জানিয়ে এবং তার সঙ্গে কোন আলোচনা না করেই মনমোহন সিং তিস্তা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। কাজেই এ চুক্তির তিনি বিরোধী!!! কাজেই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ঢাকঢোল পেটানো সফরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি আর হল না। ভারতীয় অনেক পত্রপত্রিকায় এর জন্য মমতা ব্যানার্জিকে দোষী ও দায়ী করে বলা হয়েছে, তিনি শেষ মুহূর্তে তার আপত্তি এভাবে জানিয়ে নাটক করেছেন। মমতা ব্যানার্জি যে এই ‘নাটকের’ নায়িকা এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এই নাটকের তিনিই একমাত্র কুশীলব এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। এর পেছনে অর্থাৎ তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি বানচাল করার চক্রান্তের সঙ্গে মমতা ব্যানার্জি ছাড়া অন্য কারা যুক্ত সেটা অনুসন্ধানের ব্যাপার। কারণ নিজের রাজ্যের অনেক কিছুর জন্যই মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্য-সহযোগিতার ওপর ভয়ানকভাবে নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সফরসঙ্গী হতে না চাওয়া ও তিস্তা চুক্তি বানচাল করার জন্য যা করেছেন, সেজন্য তার সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পর্ক তিক্ত হওয়ার কথা। সে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জির সরকার বিপদের সম্মুখীন হবে এ সম্ভাবনা মাথায় রেখে তিনি যে এ কাজ করতে পারেন এটা অবিশ্বাস্য। তার এমন চিন্তার কারণ থাকার কথা যে, এই কাজ করা সত্ত্বেও মনমোহন সিং ও কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তার সম্পর্ক মধুর থাকবে। সেটা যদি সত্যিই হয়ে থাকে তাহলে বুঝতে হবে তিস্তা পানি চুক্তি চক্রান্তমূলকভাবে বানচাল করার যে নাটকের কথা বলা হচ্ছে ভারতের প্রচার মাধ্যমে, সে নাটকের অন্য কুশীলবও আছে যারা পেছন থেকে কলকাঠি নাড়ছে এবং সেই কলকাঠি যদি নাড়া হয় তাহলে আগামী তিন মাসের মধ্যে বা তার কাছাকাছি সময়ে তিস্তা চুক্তি হবে এবং বাংলাদেশের পক্ষে অনুকূল শর্তে সেটা হবে, এটা মনে করার কারণ নেই। শুধু তিস্তার পানি চুক্তিই আসল কথা নয়, আসল কথা হল, এই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ কী পরিমাণ পানি পাবে। মমতা ব্যানার্জির আবদার অনুযায়ী এই অংশ যদি শতকরা ২৫ হয় এমনকি ৩৩ হয় তাহলে বাংলাদেশকে সে চুক্তি অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করতে হবে। সেটা না করা হবে দেশের স্বার্থের প্রতি এক বড় বেঈমানী। বাংলাদেশ যে শুধু ভারতের কাছে নয়, পশ্চিমবঙ্গের কাছেও কতখানি নতজানু, তার প্রমাণ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রেখেছেন। বিন্দুমাত্র আত্মসম্মান বোধ থাকলে তিনি শিষ্টাচারের নামে এ কাজ করতে পারতেন না। বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে মমতা ব্যানার্জির চক্রান্তকে প্রণাম জানিয়ে তিনি তার জন্য ১০ কেজির ইলিশ মাছের প্যাকেট ও শাড়ি পাঠিয়েছেন!! [সূত্রঃ যুগান্তর, ১১/০৯/১১]

Advertisements

About বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন

শ্রমিকশ্রেণীর রাজনীতি বিকাশে সহায়ক ছাত্র সংগঠন।

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: